Super Life Hackপ্রযুক্তি প্রোডাক্টিভিটি লাইফ হ্যাক 

আপনার ওয়েবসাইটকে উন্নত এবং জনপ্রিয় করতে পারে কিছু সূক্ষ্ম পরিবর্তন

আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পাঁচ সেকেন্ডের মাঝে ইউজার কি আপনার কোম্পানির কাজ সম্পর্কে জানতে পারে? তারা কি তাদের কাঙ্ক্ষিত সেবা খুব দ্রুত আপনার ওয়েবসাইট থেকে পাচ্ছে? আপনার সেবা বা পন্যের মূল্য কি সহজে বোঝা যাচ্ছে? যদি এই প্রশ্ন গুলোর উত্তর “না” হয় তবে এখনি সময় আপনার ওয়েবসাইটের এই অংশ গুলো কিছুটা পরিবর্তন করা। আপনার কোম্পানির ওয়েবসাইটগ্রাহকদের কাছে  আপনার কোম্পানির ছবির মত। তাই অল্প সময়ের মাঝে যদি গ্রাহক আপনার কোম্পানির সেবা বা উদ্দেশ্য সম্পর্কে বুঝতে না পারে তবে সে তার মূল্যবান সময় হয়তো আপনার ওয়েবসাইটের পেছনে নষ্ট করতে চাইবে না। তাই নিম্নের সূক্ষ্ম বিষয় গুলো ওয়েবসাইটের উন্নতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

ওয়েবসাইট বানানোর আগে অবশ্যই একটি পূর্ব পরিকল্পনা করে নিতে হবে। পূর্ব পরিকল্পনা বলতে ইউজার যখন প্রথমবার ওয়েবসাইটে আসবেন তখন খুব অল্প সময়ে যেন সে আপনার কোম্পানি সম্পর্কে ধারণা পায় এবং যেই সেবা সে চায় সেখানে দ্রুত পৌছাতে পারে। তার কারণ বর্তমান যুগে কোনো কিছুর পিছনে অধিক সময় ব্যয় করার মত সময় অনেকেরই নেই। তাই ইউজার যেন তার কাঙ্ক্ষিত সেবা অল্প সময়ে পায় সেভাবে আপনার ওয়েবসাইট সাজানো।

কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত জিনিস ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে ফেলা আপনার ওয়েবসাইটকে আরও সহজবোধ্য করে তুলবে। অবশ্যই গ্রাফিক্স ওয়েবসাইটের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু যেই গ্রাফিক্স বা অ্যানিমেশন আপনার কোম্পানির উদ্দেশ্য গ্রাহকের কাছে পৌছাতে বাধা সৃষ্টি করবে সেগুলো সরিয়ে ফেলা উচিৎ। অর্থাৎ অপ্রয়োজনীয় এবং কঠিন অ্যানিমেশন যা গ্রাহকদের বুঝতে সময় লাগতে পারে তা ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে ফেলা।

ওয়েবসাইটে শেয়ার এবং ফলো অপশন রাখা। ফেসবুক, টুইটার, লিংকডইন ইত্যাদি সোশ্যাল মিডিয়া গুলো এখন যোগাযোগ ছাড়াও অনেক ব্যবসায়িক কাজেও ব্যবহার করা হচ্ছে। তাই ওয়েবসাইটে যদি ফলো এবং শেয়ার অপশন রাখা হয় , তাহলে গ্রাহকের আপনার ওয়েবসাইটের কোনো ব্লগ বা পোষ্ট ভাল লাগলে তা অন্য কে জানানোর জন্য সে শেয়ার অপশন ব্যবহার করতে পারবে। এবং ফলো অপশন রাখলে আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটর বাড়বে।

দিকনির্দেশনা দেয়ার অপশন রাখা ওয়েবসাইটকে সহজবোধ্য করে। যেমন কেউ যদি আপনার ওয়েবসাইটে কোনও সেবার জন্য ভিজিট করে এবং তাকে বলে দেয়া না হয় তাহলে হয়তো সে তার কাঙ্ক্ষিত সেবা নাও পেতে পারে কারণ আপনার ওয়েবসাইট তার কাছে একদম নতুন। তাই হালকা দিকনির্দেশনা দেয়া যেমন, কোন পেইজ এর পরে কোন পেইজে গেলে গ্রাহক তার সেবাটা পাবেন তা বলে দিলে গ্রাহকের জন্য সহজ হবে।

বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর মাঝে  শতকরা ৯০ ভাগ মোবাইলের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করে। তাই আপনার ওয়েবসাইটকে অবশ্যই মোবাইল ওপ্টিমাইজড করে তৈরি করতে হবে। এতে গ্রাহক আপনার ওয়েবসাইট যেকোনো সময় মোবাইলের মাধ্যমে  ভিজিট করতে পারবে।

এই ছোট কিছু পরিবর্তন আপনি আপনার ওয়েবসাইটে  আনলে শুধু যে আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটর সংখ্যা বাড়বে তা নয় অন্যান্য ওয়েবসাইট আপনার ওয়েবসাইটের প্যাটার্ন  ফলো করবে।

Comments

comments

Related posts