ভ্রমণ 

ঘুরতে যাচ্ছেন? জেনে রাখুন দারুণ কিছু টিপস

আমরা সকলেই ভ্রমন করতে কম বেশি পছন্দ করি।  নিচের টিপসগুলো আপনার  ভ্রমন সহজ এবং করতে সাহায্য করবে।

ওয়াটার প্রূফ ব্যাগ ব্যবহার করতে পারেন: ভ্রমনে ওয়াটার প্রূফ ব্যাগ ব্যবহার করা উচিৎ যেন সময় অসময় বৃষ্টিতে পোশাক অথবা অন্যান্য জিনিস শুকনো থাকে। যদি তা না হয় তখন অবশ্যই ব্যাগে পলি ব্যাগ সাথে রাখুন, যেকোনো সময়ে বৃষ্টিতে অথবা ঝর্না ট্র্যাকিং এ পলি ব্যাগ অনেক সাহায্য করবে।

কাপড় কম নেয়া এবং গুটিয়ে রাখাঃ ভ্রমনের সময় কাপড় ব্যাগে ভাঁজ করে রাখার পরিবর্তে গুটিয়ে বা রোল করে রাখলে জায়গা কম খরচ হয়। এর কারনে জায়গা কম লাগে।যেগুলো না হলেই নয় সেগুলো ছাড়া অতিরিক্ত জিনিস না নেয়াই ভাল এতে ব্যাগ হালকা হয় এবং ভ্রমন সহজ হয়।

পোশাকের ধরনঃ যেকোনো ভ্রমনে হালকা পোশাক পড়া বা নেয়া  উচিৎ। এতে ব্যাগ বহন করতে সহজ হবে  এবং চলাচলেও  সুবিধা হবে। অতিরিক্ত টাইট অথবা অতিরিক্ত ঢিলে পোশাক ভ্রমনে নানা ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করে।

ব্যাংক,জাতীয় পরিচয় পত্র, পাসপোর্ট এবং কার্ডের নাম্বার সাথে রাখাঃ ব্যাংক এবং কার্ডের নাম্বার সাথে রাখতে হবে, যদি কখনও হারিয়ে যায় তাহলে এই নাম্বার গুলো কজে লাগিয়ে কার্ড ব্লক  করতে সাহায্য করবে । কোনো নতুন জায়গায় গেলে নিজের পরিচয় তুলে ধরার জন্য জাতীয় পরিচয় অবশ্যই সাথে থাকা জরুরী। দেশের বাহিরে গেলে পাসপোর্টের কপি সাথে রাখাটা অনেক জরুরী।

প্রাথমিক চিকিৎসাঃ দুর্ঘটনা যেকোনো সময় যেকোনো স্থানে হতে পারে তাই সর্বদা প্রস্তুতি রাখতে হবে। পাহাড়ে বা বনাঞ্চলে এডভেঞ্চারে গেলে সাথে সব সময় একটি ফার্স্ট এইড বক্স রাখতে হবে। যার মাঝে এন্টি সেপ্টিক ক্রিম, ব্যান্ডেইড, গজ, প্রয়োজনীয় ঔষধ রাখা উচিৎ ।

ভ্রমনকালে চার্জ ফুরিয়ে গেলে যা করবেনঃ সবসময় বিদ্যুৎ সব জায়গায়ে পাওয়া যায় না তাই অতিরিক্ত মোবাইলের ব্যাটারি, পাওয়ার ব্যাংক,  টর্চ এবং তার  অতিরিক্ত ব্যাটারি, ক্যামেরা নিয়ে থাকলে তার চার্জার এবং অতিরিক্ত ব্যাটারি  সাথে রাখতে পারেন।

খালি বোতল সাথে রাখাঃ প্রতিবার পানির বোতল না কিনে সাথে খালি বোতল রেখে বার বার পানি ভরে নিলে যেমন খরচ কমবে তেমনি বার বার পানির বোতল কেনার জন্য দোকান অথবা শপে গিয়ে সময় নষ্টও  হবে না । তাছাড়া বনে বা পাহাড়ে গেলে সব সময় দোকান বা শপ পাওয়া যায় না। তখন ঝর্না থেকে পানি নেয়া যেতে পারে; পুকুর অথবা নদী থেকেও পানি নেয়া যেতে পারে যদি পিউরিফিকেশন ট্যাবলেট  সাথে থাকে।

সড়ক এবং নৌপথে যাত্রা করাঃ সব সময় সড়ক এবং নৌপথে যাত্রা করা উচিৎ। কারন বিমানের খরচ তুলনা মুলক বেশি এবং সেই সাথে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বা বাহিরের দৃশ্য দেখার সুযোগ কম থাকে । সড়ক এবং নৌপথে ভ্রমন করলে অনেক কিছু দেখার বা চেনার  সুযোগ হয়।

কিন্তু অনেক সময় দেশের বাহিরে নৌ বা সড়ক পথে যাওয়া সম্ভব হয় না তখন বিমানের সিট বুকিং দেয়ার সময় জানালার পাশের সিট বুকিং এর অনুরোধ করতে পারেন যা আপনার  ভ্রমন আনন্দদায়ক করতে সাহায্য করবে।

স্থানীয়দের মত খাদ্য অভ্যাস করাঃ ভ্রমনে গিয়ে অবশ্যই স্থানীয়দের  মত খাদ্য অভ্যাস করা উচিৎ।তাহলে যেমন স্থানীয়দের সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায় তেমনই খরচও অনেকটা কমে আশে।

তাছাড়া আর জায়গা ভেদে আর অনেক কিছু যেমন নদী অঞ্চলে গেলে লাইফ জ্যাকেট, পাহাড়ে বা  বন অঞ্চলে গেলে এঙ্কলেট, নী- ক্যাপ, লাঠি বা স্টিক, ক্যাপ, ট্র্যাকিং স্যান্ডেল  ইত্যাদি নিয়ে যেতে পারেন। ভ্রমনের সময় কিছুটা সচেতনতা অবলম্বন করলে সাময়িক সমস্যা থেকে সহজে নিস্তার পাওয়া তেমনি ভ্রমন অনেকটা আনন্দদায়ক হয়।

Comments

comments

Related posts