মার্কেটিং 

ব্র্যান্ডিং কেন করবেন?

বর্তমান যুগে ব্যবসায় অনেক ব্যপক ভাবে সম্প্রসারিত হচ্ছে। এখন সেকেন্ডের মাঝে যেকোনো তথ্য খুব সহজেই পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পৌঁছে দেয়া সম্ভব । তাই নিজের কোম্পানির সম্প্রসারণ এবং ব্যবসায়েরর উন্নতির জন্য কোম্পানি সম্পর্কে সকলকে জানানো উচিৎ যা ব্রান্ডিং এর অন্তর্ভুক্ত।  

লোগোঃ যেকোনো কোম্পানির পরিচয় তুলে ধরার জন্য লোগো অনেক জরুরী। কোম্পানির লোগো কোম্পানিকে মানুষের সাথে পরিচয় এবং যোগাযোগ করতে সাহায্য করে। অনেক ক্ষেত্রে লোগো দিয়ে কোম্পানি পরিচিতি পায়।

ট্যাগলাইনঃ কোম্পানির ম্যাসেজ গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেয়ার একটি কার্যকারী মাধ্যম হল কোম্পানির ট্যাগলাইন। ট্যাগলাইনের মাধ্যমে খুব অল্প সময়ে গ্রাহকের উপর কোম্পানির দীর্ঘ স্থায়ী প্রভাব ফেলা যেতে পারে।

ব্র্যান্ড কালারঃ ব্র্যান্ডের লোগো যেমন জরুরী ঠিক তেমনি ব্র্যান্ডের কালারও ততটাই জরুরী। ব্রান্ডের কালার ব্রান্ডের লোগোকে সাপোর্ট করে কোম্পানির পরিচিত বাড়ানোর জন্য।

কনটেন্টঃ যেকোনো কোম্পানির ব্রান্ডিং এর জন্য তার কনটেন্ট অনেক জরুরী। একটি কনটেন্টের মাধমে গ্রাহকের কাছে কোম্পানির পণ্য এবং কেন সেই কোম্পানি থেকেই পণ্য নিতে হবে তা প্রকাশ করে। কনটেন্ট হিসেবে ব্লগ, ভিডিও ইত্যাদি ব্যবহার করা যেতে পারে।

ব্র্যান্ড স্টোরিঃ কোম্পানির ব্লগ বা ওয়েবসাইটে কোম্পানির লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য উল্লেখ থাকলে কোম্পানির গ্রহণযোগ্যতা  গ্রাহকের কাছে বাড়িয়ে দেয়।

ওয়েবসাইটঃ একটি ওয়েবসাইট কোম্পানির ছবি হিসেবে গণ্য করা হয়। কোম্পানির গ্রহনযোগ্যতা, বিশ্বাসযোগ্যতা, সুখ্যাতি নির্ভর করে ওয়েবসাইটের তথ্য এবং কিভাবে সাজানো হয় তার উপরে।

ডমেইন রেজিস্ট্রেশনঃ কোম্পানির ডোমেইন তৈরি করা অনেক জরুরী। ডোমেইন ছাড়া ওয়েবসাইট তৈরী করা সম্ভব হয় না। তা ছাড়া ডোমেইন ই-মেইল তৈরী তে সাহায্য করে।

ডিজিটাল মার্কেটিংঃ বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিং ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় হচ্ছে। ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে মার্কেটের বর্তমান অবস্থা, চাহিদা সম্পর্কে সঠিক এবং দ্রুত ধারনা পাওয়া যায়। এডভারটাইজমেন্ট এখন ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে করা হয়।

প্রোমোশনঃ বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এখন অনেক কোম্পানি পরিচিতি পাচ্ছে। তাই এখন ইন্সটাগ্রাম, ফেইসবুক, টুইটার ইত্যাদি সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে পেইজ বা একাউন্ট থাকা ভাল।

অফিস আসবাপত্রঃ ভিসিটিং কার্ড, লেটার হেড প্যাড, নোট প্যাড, কলম ইত্যাদি জিনিসপত্র কোম্পানির ব্র্যান্ডিং এ সাহায্য করে। যেমন ভিসিটিং কার্ডে কোম্পানির লোগো বা ব্র্যান্ডের কালার যদি থাকে তাহলে কোম্পানির পরিচয় গ্রাহকের কাছে আরও পাকাপোক্ত করে।

তাছাড়া বিভিন্ন ধরনের ক্যাম্পেইন, বিল বোর্ড ইত্যাদি ক্ষেত্র বিশেষে ব্র্যান্ডিং এর জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।

Comments

comments