Super Life Hackপ্রোডাক্টিভিটি লাইফ হ্যাক হেলথ 

সিধান্তহীনতায় ভুগছেন? কিন্তু কেন?

ঘুম থেকে উঠার সময়টা থেকে শুরু করে ঘুমাতে যাওয়ার সময় পর্যন্ত সবাইকে কোনো না কোনো সিধান্ত নিতে হয়। দিনের ছোট বড় সকল কাজে সিধান্ত নিতেই হয়। অনেক সময় সিধান্তহীনতাও কাজ করে কিছু ক্ষেত্রে।  ভয়, ভাল বা খারাপ দিক বিবেচনা না করা এবং নিজের চাহিদা না বুঝার কারণে সিধান্তহীনতার পাশাপাশি সিধান্ত নিতে অনেকে ভুলও করে থাকেন । এই বিষয়গুলো একটু খেয়াল করলে খুব সহজে বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

নিজের ভয়কে পিছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়া অনেক সমস্যার সমাধান করে দেয়। অনেক সময় শুধু মাত্র ভয়ের কারণে সিধান্ত নিতে পিছিয়ে যেতে হয়। যার কারণে ভবিষ্যতে ভুল সিধান্তর জন্য পস্তাতে হয়। তাই সব সময় ভয়কে পেছনে ফেলে সাহসের সাথে সিধান্ত নেয়া উচিৎ।

ভাল এবং খারাপ দুটো দিক বিবেচনা করা  যেকোনো সিধান্তের পূর্বশর্ত। শুধুমাত্র ভাল বা খারাপ যেকোনো একটা দিক বিবেচনা করে সিধান্ত নিলে শতকরা ৯০ ভাগ সিধান্ত ভুল হয়। যেমনঃ আপনি ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাবেন। আপনি ট্রেন, বাস বা প্লেনে যে কোনো ভাবে যেতে পারেন। শুধুমাত্র প্লেনের খরচের দিকটি  বিবেচনা করে প্লেনে না যেয়ে বাসে গেলেন। এতে দেখা গেল যেই যাত্রা আপনি প্লেনে গেলে ৩০-৪৫ মিনিটে করতে পারতেন সেখানে বাসে ৮-৯ ঘণ্টা সময় লেগে গেল। তাই হাতে যেই অপশন থাকবে সবগুলোর ভাল এবং খারাপ দিক বিশ্লেষণ করে সিধান্ত নেয়া উচিৎ।

নিজের চাহিদা বুঝে সেই অনুযায়ী সিধান্ত নেয়া অনেক সময় হয়ে ওঠে না। দেখা যায় যে,পছন্দ এবং চাহিদার মাঝে দ্বন্দ্ব হওয়ার কারণে সিধান্ত নিতে ভুল হয়।প্রায় সময় চাহিদা এবং পছন্দের মাঝে পছন্দ অধিক অগ্রাধিকার পায়। যেমনঃ ধরুন, ওভেন কিনতে আপনি মার্কেটে গেলেন হাতে সীমিত বাজেট নিয়ে। কিন্তু মার্কেটে গিয়ে আপনার একটি জুস-মেকার পছন্দ হলো এবং তা কিনে ফেললেন। এতে আপনি নিজের চাহিদার পরিবর্তে পছন্দকে প্রাধান্য দিলেন। এ ঘটনা নতুন নয়, এমনটা প্রতিনিয়ত   জীবনে ঘটতেই থাকে। যদি নিজের চাহিদা নিজের কাছে পরিষ্কার থাকে তাহলে বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তি এড়িয়ে চলা সম্ভব।

Comments

comments

Related posts